Showing posts with label এক্সক্লুসিভ. Show all posts
Showing posts with label এক্সক্লুসিভ. Show all posts

Sunday, December 20, 2015

স্বামীর যেসব গুণাবলী ভালোবাসেন স্ত্রী

স্ত্রীর ভালোবাসা অর্জনের জন্য পুরুষকে হতে হয় স্ত্রীর কাছে সবার চেয়ে উত্তম। একজন পুরুষ ভালো জীবনসঙ্গী হিসেবে তার স্ত্রীর কাছে ভালো স্বামী হতে পারেন নানান উপায়ে। স্বামী হিসেবে আপনার স্ত্রীর আপনার যেসব গুণাবলীকে ভালোবাসেন তার মাঝে উল্লেখযোগ্য কিছু গুণ হলো

১. স্ত্রীর প্রতি সুন্দর ব্যবহার। উত্তম শব্দ ব্যবহার করে কথা বলা। তার প্রতি নম্র থাকা।
২. জীবনসঙ্গিনীর অধিকারের বিষয়গুলো অবহেলা না করা, তা পরিপূর্ণভাবে পূরণ করতে চেষ্টা করা।
৩. বাইরে নানান কাজে থাকলেও অন্য কোনো মহিলার ব্যাপারে আগ্রহী না হওয়া। দৃষ্টিকে সংযত রাখা, হৃদয়েকেও অত্যন্ত সচেতনভাবে সতর্ক রাখা।

৪. নিজে ইসলাম শেখা, স্ত্রীকে শেখানো এবং তাকে উৎসাহিত করা। দুজনে মিলে ইসলামকে পালনের চেষ্টা করা।
৫. জীবনসঙ্গিনী যখন খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যায়, শক্ত অবলম্বন হয়ে তার পাশে থাকা।

৬. যদি স্ত্রী কখনো কষ্ট বা আঘাত দিয়ে ফেলে, নিজেকে শান্ত রাখা। খেপে না গিয়ে ধরেই নেওয়া স্ত্রী হয়ত ইচ্ছাকৃতভাবে কষ্ট দিতে চাননি, অসতর্কতায় এমনটি হয়ে গেছে।

৭. জীবনসঙ্গিনীর ছোট ছোট ভুলগুলো এড়িয়ে যাওয়া এবং তার ভালো কাজগুলোকে উৎসাহিত করা। তার পরিশ্রমের কাজগুলোর ব্যাপারে প্রশংসা করা।

৮. ঘরের কাজগুলোতে স্ত্রীকে সাধ্যমতন সাহায্য করা। তার জন্য কাজ ফেলে রেখে না দেওয়া।

৯. সন্তানদেরকে ধর্মীয় জ্ঞানে এবং আচরণে বড় করার ব্যাপারে সচেতন থাকা। সন্তানদের ধর্মীয় আদর্শে বড় করা নিয়ে স্ত্রীর সাথে আলোচন এবং চিন্তাভাবনা করা।

কেননা, বাবা-মায়ের আচরণ সন্তানদের প্রভাবিত করে, তাই বাবা-মায়েরা নিজেরাও সচেতন থাকেন নিজেদের ব্যক্তিগত চরিত্র, স্বভাব এবং আচরণ নিয়ে।

Sunday, December 6, 2015

বেশী বুদ্ধিমানদের ৭টি প্রধান সমস্যা

অন্যদের চাইতে আপনার আই কিউ এতো বেশি যে তা ঈর্ষনীয়। কিন্তু তাতে কি আপনার জীবন অনেক সহজ হয়ে গেছে? কিছু কিছু ক্ষেত্রে সহজ হলেও বুদ্ধিমান মানুষ এমন কিছু সমস্যায় পড়ে যা আমরা, সাধারণ মানুষেরা ঘুণাক্ষরেও টের পাই না। বিশ্বাস হচ্ছে না? দেখুন বেশি বুদ্ধিমান হবার বিপত্তিগুলো।

১) অনুভূতির চাইতে চিন্তা বেশি
সাধারণ মানুষ আবেগি হয়ে পড়লে কী করেন? তারা হাসেন, দাঁত কিড়মিড় করেন, চিৎকার করেন, কাঁদেন, হাত পা ছোঁড়েন। আর বুদ্ধিমান মানুষ? তারা নিজের আবেগটাক দমন করেন, সময় নিয়ে ভাবেন এর ব্যাপারে আর কথার মাধ্যমে তা প্রকাশ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু যতো কথাই ব্যবহার করেন না কেন, তাদের অনুভুতি ঠিকমতো প্রকাশিত হয় না।
২) পরিশ্রমের মূল্য জানেন না আপনি
বয়স কম থাকতেই যদি আপনি বুঝে যান যে অন্যদের থেকে আপনার বুদ্ধি বেশি, তাহলে দেখা যাবে আপনি পরিশ্রম না করেই কাজ করে ফেলছেন। সুতরাং পরিশ্রমের মূল্যটি আপনি কখনো বুঝে উঠতে পারবেন না, এর অভ্যাসটাও আপনার হবে না। জীবনে অনয় কোনো সময়ে আপনার যখন পরিশ্রমের দরকার হবে, তখন বিপদে পড়তে হবে আপনাকে।
৩) অন্যরা বেশি বেশি প্রত্যাশা করে আপনাকে নিয়ে
পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, আপনাকে সবার সেরা হতেই হবে। তা স্কুল-কলেজে হোক, অফিসে হোক অথবা অন্য কিছু। আর এই প্রত্যাশার চাপ সারাক্ষণ আপনাকে ঘিরে রাখে, অন্যদেরকে নিরাশ করার ভয় থাকে আপনার মনে।
৪) ভূল শুধরে দিতে গিয়ে ঝামেলায় পড়েন আপনি
অন্যদের চাইতে বেশি জানেন এবং বোঝেন আপনি। এ কারণে কথাবার্তার মাঝে তাদের ছোটখাটো ভুল ধরিয়ে দেওয়ার কাজটা আপনি করে থাকেন সচরাচর। আপনার চোখে এই কাজটি তুচ্ছ হলেও অন্যদের কাছে এটা ভীষণ বিরক্তিকর এবং তারা এর জন্য আপনার ওপর হাড়ে হাড়ে চটে থাকতে পারে।
৫) আপনি দরকারের চাইতে বেশি চিন্তা করেন
কোনো কাজ করার আগে একজন সাধারণ মানুষ দুইবার চিন্তা করেন। আপনি করেন বিশবার বা তারো বেশি। এভাবে বারবার চিন্তা করতে করতে মাথা খারাপ হবার জোগাড় হয় আপনার। কিন্তু এভাবে চিন্তা না করেও থাকতে পারেন না আপনি। এমনকি কোনো সিদ্ধান্ত নেবার আগে এভাবে বার বার চিন্তা করতে গিয়ে দেখা যায়, সিদ্ধান্ত নেবার সাহসটাই হারিয়ে ফেলেছেন আপনি।
৬) মানুষ আপনাকে দাম্ভিক মনে করে
আপনি নতুন কিছু শিখেছেন, এই কথা সাধারণ কথোপকথনের মাঝে বলতে গিয়ে দেখুন, মানুষ মনে করবে আপনি নিজের জ্ঞান নিয়ে বড়াই করতে এসেছেন। ফলে তাদের সাথে আরও দুরত্ব বাড়বে আপনার।
৭) আপনি ভালো করেই বোঝেন আপনি কতোটা অজ্ঞ
সাধারণ বুদ্ধির মানুষ অল্প কিছু জানা থাকলেই ভাবেন আমরা কতো বুদ্ধিমান। তাদের চোখে আপনি তো একেবারে সুপারম্যান! কারণ আপনি তাদের চাইতেও অনেক বেশি সমঝদার। কিন্তু বুদ্ধি বেশি বলে আপনি এটাও জানেন, পৃথিবীতে জানার মতো কতো কিছু আছে আর তার সামনে আপনার জ্ঞান কতোটা ক্ষুদ্র। এ কারণে যখন অন্যেরা নিজেদের সীমিত জ্ঞান নিয়ে সুখি, তখন আপনি নিজের অজ্ঞতা নিয়ে দুঃখের সাগরে ভেসে চলেছেন।

Friday, December 4, 2015

মেয়েদের প্রেমে ফেলার গোপন ৮০টি টিপস



মেয়েদের মন জয় করার জন্য আছে কিছু সহজ কৌশল। আসুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে আপনার পছন্দের মেয়ের মন জয় করবেন-



১। ভালোবাসার প্রথম শর্তই হল সততা, আপনার প্রিয় মানুষটির নিকট সব সময় সৎ থাকুন। কোন কিছুই তার কাছে গোপন করার চেষ্টা করবেন না।
২। প্রিয় মানুষটিকে তার দূর্বলতায় আঘাত করা যাবনা।
৩। আপনাকে হতে হবে আত্মবিশ্বাসী। সব ধরনের মেয়ারা ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন ও আত্মবিশ্বাসী ছেলেদের বেশী পছন্দ করে। প্রিয়তমার মানসিক ও শারীরিক চাহিদার প্রতি খেয়াল রাখুন।
৪। প্রিয়তমাকে নিজের ধনসম্পদের চেয়েও বেশি ভালোবাসতে হবে। সকল নারীরাই তার প্রিয়জনের নিকট থেকে ভালোবাসা পেতে চায়। মেয়েরা চায় তার প্রিয় মানুষটি তার প্রতি খেয়াল রাখুক তার প্রতি যত্নবান হোক। সব কিছুর উর্ধ্বে দেখুক তাকে।
৫। মেয়েরা রসিক ছেলেদের বেশি পছন্দ করে। সামান্য একটা তুচ্ছ ব্যাপার নিয়ে যেসব ছেলেরা তামাশা করতে পারে সেইসব ছেলেদের মেয়েরা বেশি পছন্দ করে।
৬। মেয়েরা সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিপাটি থাকতে পছন্দ করে। মেয়েরাও চায় তার প্রিয় মানুষটি সব সময় ফিটফাট থাকুক।
৭। প্রিয়তমাকে প্রশ্ন করার মত সুযোগ দিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে সে কি জানতে চায়।
৮। নিজের পারিবারিক ব্যাপারে তার সামনে খোলামেলা আলোচনা করতে হবে। এতে নারীরা নিজেদের অনেকটা নিরাপত মনে করে।
৯। আপনার জীবনে যদি পূ্র্বে কোন প্রেম থেকে থাকে তা প্রিয়তমাকে বলতে যাবেন না যদি সে কখোনো জানতে না চায়। প্রিয়তমা জানতে চাইলে তবেই বলা যেতে পারে।
১০। কথার ছলে গল্প বলা মেয়েরা খুব ভালোবাসে। প্রিয় মানুষটির গল্পে-স্বল্পে বিরক্ত হবেন কিন্তু। তাহলে আপনার প্রিয়তমা কিন্তু আপনার উপর রেগে যাবে।
১১। প্রিয়তমার সাথে কথা বলার সময় তার শরীরের দিক না তাকিয়ে তার চোখের দিকে তাকিয়ে আবেগের সহিত কথা বলুন। এতে মেয়েরা খুবই খুশি হয়।
১২। আপনার মনে বেদনার ঝড় বইতে পারে, তার জন্য বিষয়টি সবাইকে বলে বেড়াবেন তা নয়। প্রিয়তমাকেও আপনার দুঃখ-কষ্ট বুঝতে না দিয়ে হাসি খুশি থাকার চেষ্টা করুন।
১৩। একটা কথা আছে না, দেখলে মায়া, না দেখলে ছাড়া, কাছে থাকলে পোড়ে মন দূরে গেলে ঠনঠন। তাই যথাসম্ভব প্রিয়জনের কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করুন। তাকে ঘনঘন সময় দিতে পারলে ভালো হয়।
১৪। প্রিয়তমার পছন্দ-অপছন্দের প্রতি খেয়াল রাখুন। তার ভালো লাগার প্রতি গুরুত্ব দিন এবং মন্দ লাগার বিষয়গুলোও মাথায় রাখুন।
১৫। প্রিয়তরার সাথে অন্যকোন নারীর তুলনা করা যাবে না। এটি মেয়েরা মোটেও পছন্দ করেন না।
১৬। অনেকেই ভাবেন প্রেমিকার সঙ্গে বন্ধুত্ব করা যায় না! কথাটি মোটেও ঠিক না। আগে বন্ধুত্ব অতঃপর প্রেম।
১৭। প্রেমিকার বিশ্বাসে কখোনো আঘাত করবেন না। প্রিয়তমার চিন্তা চেতনাকে সম্মান করুন।
১৮। প্রেমিকার শরীরের মোহে না পরে তার মনের গুরুত্ব দিন। শরীর বৃত্তিয় ভালোবাসা বেশিদিন টিকে থাকে না। মন থেকে ভালোবাসুন। তাহলে দেখবেন একসময় অনায়াসেই তার শরীর মন দুটোই পেয়ে যাবেন।
১৯। নারীরা প্রকৃতিগত ভাবেই কোমল। তাই প্রিয়তমার সাথে কথা বলার সময় কখনো কঠোর হবেন না। নরম সুরে নারীর সাথে কথা বলুন।
২০। নারীরা খুব আবেগ প্রবণ। তারা সবসময় পরিবার-পরিজন নিয়ে থাকতে ভালোবাসে। আপনার প্রিয় মানুষটির পরিবারের প্রতি খেয়াল রাখুন। ঘনঘন খোজ খবর নিন।
২১.কোন মেয়েকে কখনো আপনার মনের কথা ফট করে বলে ফেলবেন না.এতে তার আপনার প্রতি অবহেলা চলে আসবে।
২২.মেয়েরা সবসময় বিপরীত দিকে আকর্ষণ বেশি হয়। আপনি যত মেয়েদের  এড়িয়ে চলবেন তত তারা আপনার দিকে অগ্রসর হবে।
২৩.ভুলেও মেয়েদের নামে খারাপ কিছু বলবেন না , বিশেষ করে আপনি যাকে পছন্দ করেন।
২৪. মেয়েদের প্রসংসা করতে শিখুন ,এতে আপনার সঙ্গীর মন পেতে সহজ হবে ।
২৫.আপনি যাকে মনের মানুষ বানাতে চান তাকে প্রথমে নানান কায়দায় বোঝাতে চেষ্টা করুন ।আপনার সঙ্গী কি কি পছন্দ করে আর কি অপছন্দ সেগুলো ভালভাবে জেনে নিন ।
২৬.আপনার সঙ্গীর পছন্দের কাজ গুলো বারে বারে দেখানোর চেষ্টা করুন।এতে আপনার সঙ্গী খুশি হবে।
২৭.পরিচ্ছন্ন-গোছগাছ কেবল উচ্চতাই নিজেকে উপস্থাপন করার গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর না। মূল বিষয় হচ্ছে নারী লক্ষ করে কোন পুরুষ নিজের বিষয়ে কতোটা সচেতন। পুরুষকে যথার্থ সতর্ক থাকতে হবে প্রথম দেখায়। হতে হবে নিজের প্রতি যত্নশীল, মনে রাখবেন এলোমেলো চুল, নোংরা নখ, দুর্গন্ধযুক্ত মোজা, কালি ছাড়া জুতা, শার্ট বা জিন্সে দাগ এমন যে কোন বিষয় হতে পারে অপছন্দ করার অন্যতম কারণ।
২৮.পোষাক জ্ঞান খুব দামী কাপড় পরে নারীর সামনে যেতে হবে এমন কোনো কথা নেই। তবে, পোশাকটি অবশ্যই ফ্যাশনেবল এবং আধুনিক ডিজাইনের হতে হবে। সেই সঙ্গে লক্ষ রাখতে হবে, যেন পোশাকে সাবলিল থাক যায় ।যাতে করে ব্যক্তিত্বের প্রকাশ ঘটে। ব্যাক্তিত্ব জ্ঞান নারীর গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল যে তারা পুরুষের বিচারবুদ্ধি সম্পন্ন রসবোধের বিষয়টি উপভোগ করে। কিন্তু মজা করতে গিয়ে এমন কিছু বলা বা করা যাবে না যা অন্যকে উপহাস করে বা ভদ্রতার সীমা অতিক্রম করে। দায়িত্ববোধ মেয়েরা দায়িত্ববান পুরুষ পছন্দ করে।
২৯. ছোট ছোট বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। যেমন-পুরুষের দায়িত্ব হচ্ছে নারী সঙ্গীটিকে নিরাপদে রাস্তা পার হতে সাহায্য করা। কখনোই তাকে পেছনে ফেলে নিজে এগিয়ে না যাওয়া। বেড়াতে যাওয়া বা খাবার এমন বিষয়ে তার পছন্দের প্রতি সন্মান প্রদর্শন করা ,গুরুত্ব দেয়া। মনে রাখতে হবে নারীরা গুরুত্ব পেতে ভালোবাসে। তারা সবসময় পুরুষ সঙ্গিটিকে নিজের সর্বোত্তম আশ্রয় ও প্রাপ্তির নিশ্চিত সীমান মনে করে। মেয়েরা তার পুরুষ সঙ্গীর দায়িত্ববোধ নিয়ে সহপাঠী,সমবয়সী ও আত্মীয়দের মাঝে গর্ব করতে ভালবাসে।
৩০.প্রশংসা নারী সঙ্গীর প্রতি মুগ্ধতা দেখাতে হবে। বাইরে যাওয়ার সময় তার সাজের প্রশংসা করতে হবে। নারী সঙ্গীর দেয়া উপহার সানন্দে গ্রহণ করতে হবে। তার রান্নার প্রশংসা করুন। কখনো যদি পছন্দ মতো নাও হয়, কোনো ভাবেই বিরক্তি প্রকাশ করা যাবে না। মনে রাখতে অনেক আন্তরিকতা নিয়ে কষ্ট করে শুধু পুরুষ সঙ্গীকে খুশি করার জন্যই মেয়েরা ব্যাস্ত থাকে। তার সাথে দেখা হলে প্রথমেই মিষ্টি হাসি ধরে রাখতে হবে।
৩১. শান্ত স্বভাব অনেক পুরুষের বৈশিষ্ট হচ্ছে তারা খুব অল্পতেই ক্ষিপ্ত হয়ে যায়। কিন্তু খুব সহজেই আবার রাগ কমে যায়। পুরুষের কাজ হবে, কিছুটা সময় শান্ত থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং শান্তিপূর্ণ রাখা।
৩২.নারীরাও আজকাল রাগী, আক্রমণাত্বক সঙ্গী পছন্দ করে না। রাগ করার মতো সুনির্দিষ্ট কারণ থাকলে নারী সঙ্গীকে শান্তভাবে বুঝিয়ে বলতে হবে। সম্মান প্রদর্শন নারীকে সম্মান করতে হবে। অনেকের মাঝে নারীকে হেয় করে কথা বলার প্রবণতা দেখা যায়। তবে নারীও মানুষ সে পুরুষের সমান গুরুত্ব এবং সম্মান পাওয়ার অধীকার রাখে।
৩৩.আপনাকে সময়ানুবর্তী হতে হবে। 
৪. আপনার সঙ্গীর  মনযোগের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবেন আপনি তার চোখেই চোখ রেখে কথা বলুন , কিছুক্ষণের জন্য তার সমস্ত মনযোগের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবেন আপনি। তিনি চান কিংবা না চান, আপনার কথা তাঁকে শুনতেই হবে গুরুত্ব সহকারে।
৩৫.আপনি কি ভাই খুব ফিটফাট গোছালো? প্রথমেই মাইনাছ! কিছুটা অগোছালো, এলোমেলো ছেলেই নাকি সুন্দরী মেয়েদের বেশি পছন্দ! তবে সাবধান! উদ্ধত্যপূর্ণ কিংবা ছেঁড়া-ফাঁড়া পোশাক বাদ দিন। ভালো পারফিউম ব্যবহারকরুন। তাহলে আপনার সঙ্গীর মন পেতে পারেন।

৩৭. চোখই আপনাকে বলে দেবে হাসিটা স না মিথ্যা মুখে তো সকলেই হাসেন, কিন্তু সেই আন্তরিক কিনা কীভাবে বুঝবেন? আন্তরিক হাসিতে ঝলমল করে ওঠে মানুষের চোখ, যা কৃত্রিম হাসিতে হয় না। একটু লক্ষ্য করুন, নিজেই বুঝতে পারবেন।
৩৮. চোখের মনি জানিয়ে দেয় মানুষটি আগ্রহী কিনা অনেক কথা বলছেন আপনি, কিন্তু সামনের মানুষটি আগ্রহ নিয়ে শুনছে কিনা কীভাবে বুঝব আগ্রহ নিয়ে কিছু শুনলে বা দেখলে মানুষের চোখের মনি স্বাভাবিকের  চাইতে বড় দেখায়। এটাও একটু লক্ষ্য করলেই জানা যায়।
৩৯. চোখে চোখে কথা বলা ভালো লক্ষণ পরস্পরের চোখের ভাষা বুঝতে পারা, চোখের ইঙ্গিত ধরে নেয়ার ক্ষমতাটি আসলে ভালোবাসার লক্ষণ। দুটি মানুষ যখন পরস্পরকে গভীরভাবে ভালোবাস তখন তাঁরা সেটা পারেন।
৪০. চোখ জানিয়ে দেয় প্রতারণার কথা বেশিরভাগ মানুষই মনে করেন যে মিথ্যুকেরা চোখে চোখ রেখে কথা বলে না। কিন্তু এই ধারণা কিন্তু অনেকটাই ভুল। মারাত্মক ধরণের মিথ্যুকেরা চোখে চোখ রেখেই কথা বলে, শান্ত ও স্থির দৃষ্টিতে। বরং মিথ্যুকেরা প্রয়োজনের চাইতে বেশি চোখাচোখি করে কাউকে খুব বেশি চোখাচোখি করে কথা বল থাকুন যে আপনার কাছে সে মিথ্যাকে সত্য প্রমাণকরতে চাইছে।
৪১. মেয়েরা happy new year,birthday,valintine day ইত্যাদি এইসব দিনে একটু বেশি আবেগি থাকে তাই এই সব দিনে যদি একটা gift আপনার প্রিয় জন কে দিতে পারেন তাহলে তাহলে আপনার সম্পর্ক আরো ভাল হবে। কিন্তু মনে রাখবেন বেশি আবেগ দেখাতে গিয়ে ধরা খাইয়েন না। তাই বলে অকারণে বার বার উপহার দিবেন না।
৪২. আপনি যাকে পছন্দ করেন তার সাথে কথা বলার সময় মুচকি হাসি দিন ।মেয়েরা ছেলেদের মুচকি হাসি ভিশন পছন্দ করে।
৪৩. আপনার ভাল লাগা গুলো তার সাথে শেয়ার করুন ।এতে মেয়েটি আপনার প্রতি মনোযোগ দিবে।
৪৪.আপনি কোথায় কি করেন সেটা তাকে জানান।এতে মেয়েটি আপনাকে সৎ ভাবতে শুরু করবে।
৪৫. ভুলেও তার সাথে  কখনো মিথ্যা কথা বলবেন না ।মেয়েরা মিথ্যাবাদী ছেলেকে পছন্দ করে না। 
৪৬ .মেয়েরা সবসময় আত্মবিশ্বাসী ছেলেকে পছন্দ করে । নিজেকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলুন।
৪৭. নিজের মধ্যে সবসময় সাহস কাজ করাতে হবে ।
৪৮. যার মনজয় করতে চান তার সব কাজে সব সময় প্রসংসা করুন ।
৪৯. প্রসংসা যেন কখনো বেশি না হয় সেদিকে খেয়ালা রাখবেন।
৫০. তাকে নিয়মিত কিছু উপহার দিন তার ভাল লাগা কিছু যা সে পছন্দ করে।
৫১.তার মন ভাল রাখার জন্য নানা ধরনের হাসির গল্প তাকে শোনান              
৫১.তার মন ভাল রাখার জন্য নানা ধরনের হাসির গল্প তাকে শোনান   
৫২.তাকে আপনার মনের মত করে নেওয়ার চেষ্টা করুন
৫৩. ভালবাসার প্রথম শর্ত হল প্রিয়মানুষটার কাছে সৎ থাকা। তার কাছে কোনকিছুই গোপন করা যাবে না। আপনে সারাদিন যা করেন তা তার সাথে শেয়ার করুন
৫৪.আপনার  প্রিয়তমাকে তার দূর্বলতার কথা তুলে রাগানো যাবে না।এটা মেয়েরা পছন্দ করে না
৫৫. কখনো যেন আপনার সঙ্গী বুঝতে না পারে যে আপনি তাকে এড়িয়ে চলছেন কারণ ,,,নিজের অর্থসম্পদের চেয়ে তাকে বেশি ভালবাসতে হবে। প্রত্যেক নারী তার প্রিয়জনের কাছ থেকে সর্বোচ্চ ভালবাসা পেতে চায়। নারী চায় তার প্রিয়মানুষ তার প্রতি যত্মবান হোক। সবকিছুর উর্ধ্বে তাকে দেখুক
৫৬. অপনার ব্যক্তিত্ব কি কমিডি তাহলে আপনার প্লাস পয়েন্ট কারণ ,,,মেয়েরা হাস্য-রস পছন্দ করে। যেসব ছেলেরা তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসি তামাশা করতে পারে, মেয়েরা ঐসব ছেলেদের পছন্দ করে
৫৬.আপনাদের একটা কথা বলব কেবল যৌনতার জন্য সম্পর্ক কিনা ভেবে দেখুন কেবল যৌনতার জন্য প্রেম হলে তাঁর কোন ভবিষ্যৎ হয় না। কখনোই হয় না। এই কথাটা কখনো ভুলবেন না।
৫৭.আপনার ভাল লাগার চেয়ে আপনার প্রিয়তমার দিকে বেশি খেয়াল রাখুন ।
৫৮. আপনি কি একটু রাগী রাগটা আড়াল করে রাখুন।রাগী ছেলেদের মেয়েরা পছন্দ করে না।
৫৯.আপনার ভবিষৎ কি তা তার সাথে শেয়ার করুন।
৬০.ভালবাসার প্রথম শর্ত হল প্রিয়মানুষটার কাছে সৎ থাকা তার কাছে কোনকিছুই গোপন করা যাবে না তাই আপনি কোন কিছু গোপন করবেন না। তার সাথে আপনার সব কিছু শেয়ার করার চেষ্টা করুন।
৬১. প্রিয়তমাকে প্রশ্ন করার সুযোগ করে দিতে হবে। সে কি জানতে চায় সেদিকে থেয়াল রাখতে হবে। এতে আপনার প্রতি তার মনোযোগ বাড়ব। তার মন পাওয়া আপনার জন্য একটু সহজ হবে।
৬২. নিজের পরিবারের সম্পর্কে তার সামনে খোলামেলা আলোচনা করতে হবে। এতে মেয়েরা নিজেদের অনেকটা নিরাপদ মনে করে। আপনাকে সৎ ভাবতে শুরু করব। আপনার প্রতি সে দুর্বল হয়ে যাবে।
৬৩. ফেলে আসা জীবনে যেসব মেয়েদের সঙ্গে আপনার প্রেম ছিল। সেসব গল্প নাইবা বললেন আপানার প্রিয়তমাকে। যদি সে কখনো জানতে চায় তবেই বলা যেতে পারে।
৬৪. আপনাকে একজন ভাল শ্রোতা হতে হবে কারণ, মেয়েরা কথার ছলে গল্প বলতে ভালোবাসে। আপনার প্রিয় মানুষটির গাল-গল্পে বিরক্ত হবেন না যেন। তাহলে সে আপনার উপরে চটে যাবে।
৬৫. প্রিয়তমার সঙ্গে কথা বলার সময় তার চোখের দিকে তাকিয়ে আবেগ প্রকাশ করে কথা বলুন। এতে মেয়েরা খুশি হয়। এটি মেয়েদের ভিশন পছন্দ।
৬৬. আপনার মনে বেদনার পাহাড় জাগতে পা্রে। তাই বলে সবাইকে বলে কয়ে বেড়াবেন এমন নয়। প্রিয় নারীকেও আপনার দুঃখ-কষ্ট বুঝতে দেবেন না। বরং হাসি খুশি থাকুন। এতে আপনাকে দায়িত্বশীল ভাববে।
৬৭. কথায় বলে প্রকৃতি শুন্যস্থান পছন্দ করে না। তাই যথাসম্ভব প্রিয়জনের কাছাকাছি থাকুন। তাকে ঘনঘন সময় দিন।
৬৮. প্রিয়মানুষটির পছন্দ-অপছন্দের প্রতি খেয়াল রাখুন। তার ভালো লাগা, মন্দ লাগার বিষয়গুলো মাথায় রাখুন।
৬৯. প্রিয়তমার সঙ্গে কখনো অন্যকোন নারীর তুলনা করবেন না। কোন নারীর তুলনা পছন্দ করেন না।
৭০.অনেকে মনে করেন প্রেমিকার সঙ্গে বন্ধত্ব করা যায় না। কথাটি ভুল। আগে বন্ধুত্ব পরে প্রেম।
৭১.প্রেমিকার বিশ্বাসে কখনো আঘাত করবেন না।তার নিজস্ব চিন্তা-চেতনাকে সম্মান করুন।
৭২. প্রিয়তমার শরীরের মোহে না পরে তার মনের গুরুত্ব দিন। শরীর বৃত্তিয় ভালোবাসা দীর্ঘস্থায়ী হয় না। ভালোবাসুন মনে থেকে। তাহলে শরীর মন দুটোই পাবেন অনায়াসে।
৭৩. আপনার কথাটা তাকে বোঝানোর জন্য তাড়াহুরা করবেন না । কারণ মেয়েরা ধোর্য
বান ছেলেদের ভিশন পছন্দ করে ।
৭৪. আপনার কি রাগ বেশি তাহলে মেয়েদের থেকে অনেকটা আলাদা হয়ে গেলেন ।আপনার রাগ একটু কমানোর চেষ্টা কর।
৭৫. আপনি কি জানেন মেয়েরা রসিকতা ছেলেদের বেশি পছন্দ করে। আপনার রসিকতার মাধ্যমে তাকে ভালবাসার কথা বলা যেতে পারে ।
৭৬. সাড়াজীবন কাউকে কাছে পেতে চাইলে তাকে সহজে কাছে পাওয়ার আশা না করে তাকে জয় করার চেষ্টা করুন।
৭৭. মেয়েরা ছেলেদের মুচকি হাসি খুব উপভোগ করে । অাপনি এটা করার চেষ্ট্া করুন।
৭৮.আপনি মেয়েদের মর্যাদা দিতে শিখুন তাতে আপনার সম্পর্কে মেয়েদের ভাল কিছু ধারনা আসবে।
৭৯. যাকে পেতে চান তার প্রতি সময় দা্ও এবং তাকে তোমার ভাল লাগাটা শেয়ার কর
৮০. মনকে ভালভাবে জয় করার চেষটা কর।