Showing posts with label প্রযুক্তি কথন. Show all posts
Showing posts with label প্রযুক্তি কথন. Show all posts

Thursday, December 10, 2015

আপনার পুরাতন ল্যাপটপকে দিন নতুন জীবন

সাধারনত যে সব ল্যাপটপের বয়স ৩ বছরের বেশি তাদেরকে আমরা পুরাতন ল্যাপটপ বলে থাকি। কারন প্রত্যেক বছরে নতুন নতুন সব মডেল, নতুন স্টাইল এবং নতুন এক চেহারার ল্যাপটপ বের হচ্ছে। আর নতুনকে ঘিরে থাকা মানুষদের কাছে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করা ল্যাপটপগুলো একটু বেশিই স্লো মনে হয়। কারন বর্তমান অপারেটিং সিস্টেমগুলো সব সময় ভালো ভালো হার্ডওয়্যার কনফিগারেশনের জন্য ক্ষুধার্থ থাকে। ফলে নতুন ল্যাপটপগুলোর হার্ডওয়্যার কনফিগারেশনের সাথে পুরাতন ল্যাপটপগুলোর হার্ডওয়্যার কনফিগারেশনের তফাত অনেকটা লক্ষণীয়। যাহোক, আসলে তুলনামুলক হার্ডওয়্যার কনফিগারেশনের তাইতেও পুরাতন পিসিগুলো বেশি স্লো হয়ে যায়। ফলে অহেতুক বিরক্তি বাড়ে এবং কাজ করতে লাগে প্রচুর সময়। আজকের টিউনে আমরা পুরাতন সেই ল্যাপটপগুলোকে নতুন ল্যাপটপগুলোর কাছাকাছি স্পিডের এবং কাছাকাছি কার্যক্ষমতার করার এক্সক্লুসিভ সব টিপস নিয়ে আলোচনা করবো। তবে দুঃখের কথা হলো, কেন জানি টিউজিটরগণ আমার টিউনগুলোতে শুধু সফটওয়্যার খুঁজে। হার্ডওয়্যার নিয়ে কিছু লিখলে তাদের মন ভরে না। আজকেও তাদের দুঃখকে আরও একটু বাড়িয়ে দিতে সেই হার্ডওয়্যার বিষয়েই লিখছি। কারন মুখের কথায় নয় কাজের ভিত্তিকে কিছু প্রমাণ করতে গেলে হার্ডওয়্যার আপগ্রেডের কোন বিকল্প নেই। চলুন তাহলে জেনে নেই পুরাতন ল্যাপটপগুলোকে নতুনত্ত্বের ছোঁয়া দিতে আমাদের কী কী কাজ করতে হবে।

সম্পূর্ণ ল্যাপটপ খুলে ভালোভাবে পরিষ্কার করুন

প্রত্যেকটি ইলেকট্রনিক্স পণ্যের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো ধুলো ময়লা। কেন জানিনা, এই ইলেকট্রনিক্স পণ্যের উপরেই যেন ধুলো ময়লার আক্রমন সবচেয়ে বেশি হয়। কিছুক্ষণ বায়রে রেখে দিলেই দেখা যায় তাদের উপর ধুলোর একটা আস্তরণ পড়ে গেছে। যাহোক, ল্যাপটপে ময়লা জমার কারনে ল্যাপটপ অতিরিক্ত গরম হয়ে যায় এবং হার্ডওয়্যার পারফরমেন্স কমে যায়। ফলে অটোমেটিক ল্যাপটপ স্লো হতে শুরু করে। একারনে ল্যাপটপ সব সময় পরিষ্কার রাখাটা জরুরী। এবার চলুন দেখে নেওয়া যাক ল্যাপটপকে পরিষ্কার করতে হলে কী কী করতে হবে। যদিও এটা কঠিন কোন কাজ নয় তবে যারা নতুন এবং কোনদিন ল্যাপটপ খুলেননি তাদের জন্য হাতে ধরে বিস্তারিত বর্ণণা করছি।

প্রয়োজনীয় উপকরণঃ

  • একটা স্ক্রু-ড্রাইভার, একটা সুতি কাপড়ের পরিষ্কার ন্যাকড়া, একটি পেইন্ট ব্রাস, মাল্টিমিডিয়া ফোন এবং কাগজ- কলম।

যেভাবে কাজ করবেনঃ

  • আপনি যেহেতু প্রথমবার কাজ করছেন তাই কাজে ভুল হওয়াটা স্বাভাবিক। কারন কম্পিউটার খুলতে গেলে এর সাথে সম্পৃক্ত অনেক যন্ত্রপাতি খুলতে হবে। কোনটা কোথায় থেকে খুলছেন এটা যদি মনে না থাকে তাহলে সেগুলো পুনরায় লাগানোর সময় ঝামেলা পাকিয়ে ফেলতে পারেন। তাই প্রথমে মোবাইল থেকে আপনার কাজের প্রত্যেকটি স্টেপ ভিডিও করে রাখতে পারেন।
  • কোন স্ক্রু কোথায় থেকে খুললেন এবং সে সংক্রান্ত কিছু কাগজে লিখে রাখতে পারেন। এটা আপনার ভুলে যাওয়া রোধ করবে।
  • সাবধানে প্রত্যেকটা পার্টস খুলে আলাদা করে রাখুন। এবং ব্রাশ কিংবা ন্যাকড়া দিয়ে সেগুলো ভালোভাবে পরিষ্কার করুন। তবে মনের ভুলেও কোন যন্ত্রাংশে পানির ছোঁয়া লাগাবেন না।
  • ল্যাপটপের ফ্যান এর প্রতি একটি বেশি নজর দিন। কারন ওখানেই ময়লা বেশি লেগে থাকে। ফ্যান ভালোভাবে পরিষ্কার করুন এবং প্রয়োজনে একটু কুলিং পেস্ট ব্যবহার করুন।
  • এবার যেভাবে খুলেছেন সেভাবে লাগিয়ে ফেলুন। ব্যাস আপনার কাজ শেষ। এরপর কোনদিন একই কাজ করতে গেলে আশা করি সব মনে রেখেই করতে পারবেন। কয়েক মাস পরপর একই প্রসেস অনুসারে ল্যাপটপ পরিষ্কার রাখুন।

অপারেটিং সিস্টেম রি-ইনস্টল করুন অথবা পরিবর্তন করুন

দীর্ঘদিন একই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করলে সেটাও এক সময় নড়বড়ে হয়ে যায়। কোন প্রোগ্রাম আনইনস্টল করার পরেও দেখা যায় তার ভাঙ্গা রেজিস্ট্রি ফাইলগুলো থেকে যায়। তাছাড়া ম্যালওয়্যার এটাক থেকে থেকে শুরু করে বিভিন্ন কারনে অপারেটিং সিস্টেম আনস্টেবল হয়ে যায়। ফলে পিসি স্লো হওয়ার পাশাপাশি নানা রকম অপারেটিং সিস্টেম ঘটিত সমস্যা দেখা যায়। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে চাইলে অপারেটিং সিস্টেম রিইনস্টল করা কিংবা আপগ্রেড করা যেতে পারে। তবে ল্যাপটপ যদি খুব বেশি পুরাতন হয় তাহলে অপারেটিং সিস্টেম আপগ্রেড না করে লোয়ার গ্রেডও করতে পারেন। যেমন উইন্ডো সেভেন থাকলে উইন্ডোজ এক্সপিতে ব্যাক করতে পারেন।
অপারেটিং সিস্টেম রিইনস্টল কিংবা পরিবর্তন করার পর দেখেশুনে সফটওয়্যার ইনস্টল করবেন। মাঝে মাঝে যেসব সফটওয়্যার ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে সেগুলো ব্যবহার শেষেই আনইনস্টল করে ফেলবেন। প্রথম দুইটা পদ্ধতি কোন প্রকার টাকা খরচ না করেই প্রত্যেকেই করতে পারবেন। আশা করি এই দুইটা পদ্ধতিই যথেষ্ট হবে আপনার বৃদ্ধ ল্যাপটপকে নতুন যৌবণ দান করতে। পরের পদ্ধতিগুলো ল্যাপটপের গতি এবং পারফরমেন্স দুটোই স্ট্যাবল ভাবে বৃদ্ধি করবে। কিন্তু এর জন্য পকেট থেকে কিছু টাকা খরচ করতে হবে।

ল্যাপটপের র‍্যাম এর পরিমাণ দ্বিগুণ করে দিন

ল্যাপটপের র‍্যাম (RAM – Random Access Memory) হলো চলমান ল্যাপটপ মেমোরির হাই পারফোরমেন্স ফর্ম। ল্যাপটপে যখন কোন প্রোগ্রাম রান হয় তখন সেটা অস্থায়ীভাবে র‍্যামে জমা হয়। আপনি যতো বেশি প্রোগ্রাম চালাবেন ল্যাপটপ র‍্যামে ততো বেশি ফাইল জমা হবে এবং খালি জায়গার পরিমান কমে আসবে। এখন যদি অনেকগুলো প্রোগ্রাম একসাথে রান করেন এবং সে অনুযায়ী র‍্যামে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকে তাহলে ল্যাপটপ স্লো কাজ করবে। এ কারনে ল্যাপটপে প্রোগ্রামগুলো অবাধে রান করার জন্য পর্যাপ্ত র‍্যাম থাকা জরুরী। আমি পরমর্শ দিবো যে পরিমাণ র‍্যাম আছে তার দ্বিগুণ করার জন্য। অর্থাৎ আগে থেকে ২ জিবি থাকলে সেই সাথে আরও ২ জিবি নতুন ইনস্টল করবেন।
ল্যাপটপে র‍্যাম সংযুক্ত করা খুবই সহজ কাজ। কিছু ল্যাপটপের কিবোর্ডের নিচে আবার কিছু কিছু ল্যাপটপের ব্যাক কাভারের নিচে র‍্যাম এর জন্য আলাদা দুটি স্লট থাকে। সাধারন ক্লিপ দিয়ে র‍্যামগুলো আটকানো থাকে। সুতরাং শুধুমাত্র কিবোর্ড অথবা ব্যাক কাভার খুলে ফেলুন আর র‍্যামগুলো ক্লিপ এর সাথে আটকে দিন। আপনার কাজ শেষ। তবে ল্যাপটপ র‍্যাম এর দাম প্রসঙ্গে কিছু বলি। বর্তমান বাজারে ১ হাজার টাকায় ১ জিবি র‍্যাম, ২ হাজার টাকায় ২ জিবি র‍্যাম এবং ৩-৪ হাজার টাকায় ৪ জিবি র‍্যাম পাওয়া যায়। র‍্যাম এর কোয়ালিটি ভেদে দামের কিছুটা পরিবর্তন হলেও মোটামুটি এই দামের ভেতর র‍্যাম কিনতে পারবেন। তারপর সংযোজন তো নিজেই করতে পারবেন।

নতুন ওয়্যারল্যাস এডাপ্টার সংযুক্ত করুন

ল্যাপটপে ইন্টারনেট ব্রাউজিং অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। ল্যাপটপের বয়স বাড়ার সাথে সাথে কিন্তু ইন্টারনেট ব্রাউজিং স্পিডও কমে আসে। আসলে যা হয়, নেটওয়ার্ক এডাপ্টারগুলো সিগনাল ধরার শক্তি হারিয়ে ফেলে। সুতরাং ল্যাপটপকে পূর্ণ উদ্দোমে ব্যবহার করতে চাইলে অবশ্যই একটি নতুন ওয়্যারল্যাস এডাপ্টার সংযুক্ত করতে হবে। বাজারে এক হাজার টাকার মধ্যেই ওয়্যারল্যাস এডাপ্টার কিনতে পাবেন। এবং র‍্যাম এর মতোই এটাকেও একই পদ্ধতিতে ল্যাপটপে নিজে নিজে লাগাতে পারবেন। তবে এসব যদি ঝামেলার মনে হয় তাহলে একটি টিপি লিংক ওয়্যারল্যাস রিসিভার পোর্টেবল হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন। আর দাম এক হাজার টাকার বেশি হওয়ার প্রশ্নই আসে না।

HDD কে SSD দ্বারা রিপ্লেস করুন

হার্ড ড্রাইভ স্পিড ল্যাপটপের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। অধিকাংশ ল্যাপটপে 5400 RPM ড্রাইভ থাকে। যেটা স্লো স্পিড এবং লো ডাটা ট্রান্সফার রেটের হয়ে থাকে। অনেক সময় ভালো মানের ল্যাপটপগুলোতেও খুব সস্তা ধরনের হার্ড ড্রাইভ ব্যবহার করা হয়। ফলে আপনি যখন কোন ফাইল বা প্রোগ্রাম রান করেন তখন ল্যাপটপ হ্যাং হয়ে যায়। আমার নিজের ল্যাপটপ ২০১০ সালে ম্যানুফেকচার করা। আমি নিজেও এরকম সমস্যায় পড়ি মাঝে মাঝে। এ সমস্যা থেকে বাঁচতে SSD ব্যবহার করা যেতে পারে। SSD সাধারন হার্ড ড্রাইভের তুলনায় প্রায় ৩গুন দ্রুতগতির। সুতরাং ল্যাপটপে SSD থাকলে যেকোন নতুন ল্যাপটপকে আপনার পুরাতন ল্যাপটপ অনায়াসে টেক্কা দিতে পারবে।
ল্যাপটপে SSD ইনস্টল করা বেশি একটা ঝামেলার মনে হবে না। শুধু আগেরটা খুলে নতুনটা সংযোজন করুন। তবে SSD এর দাম খুব বেশি না হলেও একেবারে সবার সাধ্যের মধ্যে নাও থাকতে পারে। আপনি ৬ হাজার টাকা খরচ করে ১২৮ জিবি একটি SSD কিনতে পারবেন। তবে একটি বিষয় খেয়াল রাখবেন, ল্যাপটপ খুব বেশি পুরাতন হলে SSD না লাগানোটাই ভালো। প্রথম ২ টা পদ্ধতি যেকোন বয়সের ল্যাপটপের জন্য প্রযোজ্য হলেও তার পরের ২টা পদ্ধতি ৫-৬ বছরের বেশি পুরাতন কোন ল্যাপটপে এবং শেষ পদ্ধতি ৩-৪ বছরের বেশি পুরাতন ল্যাপটপে প্রয়োগ না করাটাই ভালো

Monday, December 7, 2015

ফেসবুকে জনপ্রিয় হবার মূল কৌশল



ফেসবুকের দুনিয়া এখন এত বড় হয়ে গেছে যা বাকি বিশ্বকে চ্যালেঞ্জ নিয়ে ফেলতে পারে। কিন্তু এত বড় একটা ফেসবুকের দুনিয়ায় নিজেকে কী করে জনপ্রিয় করে তুলবেন? গোটা বিশ্বে অনেক মানুষই আছেন যাদের মানুষ চেনে তাদের দারুণ ফেসবুক পেজের জন্য। কীভাবে লোকে আপনাকে আলাদা করে চিনবে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের জন্য। ফেসবুকে জনপ্রিয় হওয়ার এইসব উপায়ই জানিয়েছে ভারতের জিনিউজ। আসুন দেখে নেওয়া যাক কী ভাবে ফেসবুকে জনপ্রিয় হওয়া যায়...

১০) আগ বাড়িয়ে বন্ধুত্বের হাত বাড়াবেন না--অনেকেই আছে যারা শুধু আকর্ষণীয় প্রোফাইল পিকচার বা সুন্দর মুখ দেখে 'ফ্রেন্ড রিক্যুয়েস্ট' পাঠায়। অনেক সময়ই সেসব ফ্রেন্ড রিক্যুয়েস্ট রিজেক্ট হয়ে যায়। আসলে বাস্তবে জীবনে যেমন ফেসবুকেও তেমন। আগ বাড়িয়ে আর যাই হোক বন্ধুত্ব হয় না। ফেসবুকের বন্ধুত্বটাও হয় বাস্তবের দুনিয়ার নিয়ম মেনেই। মানে হওয়ার ছিল তাই হল। নাকি হতে চাই তাই হল। আমাদের অনেকেরই ভুল ধারণা ফেসবুকে যত বেশি ফ্রেন্ডস থাকবে, ততই আপনি জনপ্রিয় হবেন। সেটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। আপনার প্রোফাইল সুন্দর, কার্যকরী ও ভাল হলে আপনার কাছে অটোমেটিক ফ্রেন্ড রিক্যুয়েস্ট আসতে শুরু করবে।  
৯) 'লাইক' কথাটার গুরত্ব বুঝে লাইক দিন--এমনিতে ফেসবুকে জনপ্রিয় হওয়ার খুব সাধারণ একটা উপায় হল বিভিন্ন পোস্টে লাইক দিয়ে যাওয়া। কিন্তু সব ক্ষেত্রে এটা সত্যি নয়। লাইক কথাটা বুঝে তবেই লাইক বটন টিপুন। লাইক-এর চেয়ে কমেন্ট অনেকক্ষেত্রেই বেশি কার্যকরী হয়। ধরুন আপনার বন্ধু একটা ছবি পোস্ট করল। আপনি সেখানে শুধু লাইক দিলেন। বন্ধু খুশি হল ঠিকই, কিন্তু যদি সেখানে কমেন্ট করে মজার কিছু বললেন। দেখবেন সেটা আরও কাজে দেবে। সব পোস্টে লাইক দেওয়ার অভ্যাসটাও ছাড়ুন। নিজে কিছু লিখতে পারেন না? কোন সমস্যা নেই। বিভিন্ন ওয়েবসাইটের ভালো ভালো কন্টেন্ট শেয়ার করুন নিজের টাইম লাইনে। অনেকেই আগ্রহী হয়ে উঠবে এইসব লেখার প্রতি এবং আপনার জনপ্রিয়তাও বাড়বে।
৮) বিরক্তিকর নয় ব্যতিক্রমী পোস্ট করুন--নিয়মিত পোস্ট করবেন ঠিকই, কিন্তু তা বলে বিরক্তিকর পোস্ট করবেন না। অনেকেই আছেন, যারা যা করেন সব কিছুই ফেসবুকে পোস্ট করতে শুরু করেন। মনে রাখবেন আপনার যেটা ভাল লাগছে সবার সেটা নাও ভাল লাগতে পারে। পোস্ট যদি করতেই হয় ব্যতিক্রমী পোস্ট করুন। সাধারণ ঘটনা থেকে মজার বা তাত্‍পর্যপূর্ণ কিছু জিনিস বের করে ব্যতিক্রমী পোস্ট করুন। মনে রাখবেন ব্যতিক্রম বেশিরভাগ সময় জনপ্রিয় হয়।
৭) নিউজ সাইটের পোস্ট শেয়ার করুন, নিজে খবর দিন, নিজের বক্তব্য জানান--মানুষ খবরে থাকতে ভালবাসে। ধরুন আপনি খবর পেলেন একটু আগে ভূমিকম্প হয়েছে। কোনও নিউজ সাইটের পোস্ট নিজের টাইমলাইনে শেয়ার করলেন, দেখবেন বন্ধুরা আপনাকে আলাদা গুরুত্ব দেবে। সাম্প্রতিক কোনও ঘটনা নিয়ে নিজের বক্তব্য লিখুন। খেলা থেকে শুরু করে রাজনীতি, বিনোদন জগত ইত্যাদি পছন্দের যে কোন বিষয় নিজেই স্ট্যাটাস দিন। তাতে অন্যরা খুব সহজেই আপনার সঙ্গে এনগেজ হতে পারবে। ফলে জনপ্রিয়তাও বাড়বে আপনার।
৬) সিনেমা, বই রিভিউ করুন নিজস্ব কায়দায়, নিয়মিত-মানুষ অজান্তেই তাদের ফলো করে যারা তাদের পছন্দের বিষয়ে নিয়ে চর্চা করে। সিনেমা বা বই হল এমন কিছু বিষয় যা নিয়ে আপনি চর্চা করলে বা রিভিউ দিলে মানুষ আকর্ষিত হয়। সপ্তাহের কোনও একটা নির্দিষ্ট দিনে ছোট করে সিনেমার রিভিউ দিন, অন্য একটা দিনে যে বইটা আপনি পড়লেন তা নিয়ে জানান। ধরুন রবিবার আপনি সম্প্রতি রিলিজ হওয়া সিনেমার রিভিউ লিখলেন, আর বুধবার সম্প্রতি পড়া কোনও বই নিয়ে লিখলেন।  
৫) প্রোফাইল পিকচারে অভিনবত্ব আনুন, মাঝেমাঝে পরিবর্তন করুন- প্রোফাইল পিকচার হল অনেকটা প্রোডাক্টের প্যাকেট বা ইউ টিউব ভিডিওতে থাম্বনেলের মত। ইউ টিউবে অন্তত ৬০ শতাংশ ক্ষেত্রে আমরা ভিডিও দেখি thumbnail দেখে। তেমনই মানুষ একটা ফেসবুক প্রোফাইল ভাল-মন্দ বিচার করে প্রোফাইল পিকচার দেখে। প্রোফাইল পিকচার মানে শুধু সেলফি, বা নিজের ছবি দেওয়া নয় বেশিরভাগ জনপ্রিয় ফেসবুক পেজের প্রোফাইল পেজ হয় অভিনব। সেইরকমই কিছু ভাবুন। তবে খেয়াল রাখবেন প্রোফাইল পিকচার একরকম, আর আপনি পোস্ট করছেন অন্যকিছু সেরকম যেন না হয়। মাঝেমাঝেই ফেসবুকের প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করুন। একটি সুন্দর মুখের যা আবেদন, সেটা আর অন্য কোন কিছুতেই নেই। ফেসবুকে দ্রুত জনপ্রিয় হবার সবচেয়ে সহজ কৌশল হল দারুণ সব প্রোফাইল পিকচার আপলোড করা। বা কোথাও ঘুরতে গেলেন, আনন্দের মুহূর্তগুলো শেয়ার করা বন্ধুদের সাথে। দেখেন দ্রুত বাড়ছে জনপ্রিয়তা।
৪) নিজের ফেসবুক পেজকে বন্ধুদের একটা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করতে দিন-নিজের ফেসবুক পেজকে একটা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজে লাগাতে দিন। সেটা হতে পারে কোনও সেলেব্রিটির ফ্যান হয়ে, কোনও ক্লাবের সমর্থক হয়ে, বা কোনও পোশাক বা খাবারের আলোচনা নিয়ে। আপনার আগ্রহের বিষয়ের কমিউনিটি পেজগুলিতে লাইক দিন। আপডেটগুলো শেয়ার করুন, তারপর আলোচনার জায়গা তৈরি করুন।
৩) বন্ধুদের সব পরিস্থিতিতে পাশে থাকার বার্তা দিন--বন্ধুদের বিপদে পাশা থাকার বার্তা দিন। ধরুন কারও খুব তাড়াতাড়ি রক্তের প্রয়োজন। আপনি আপনার ফেসবুক পেজের মাধ্যমে সেই ব্যবস্থা করে দিন। কেউ হয়তো খুব অসুস্থ, চিকিত্‍সার জন্য টাকা প্রয়োজন। আপনার ফেসবুক প্রোফাইলের মাধ্যমে ব্যবস্থা করে দিন। মানুষ যদি জানে আপনি বিপদের সময় পাশে থাকবেন তাহলে এমনিতেই আপনি ফেসবুকে জনপ্রিয় হয়ে উঠবেন।
২) জন্মদিন, বিশেষ দিনে আলাদা কিছু করে বন্ধুদের স্পেশাল ফিল করতে দিন-- বন্ধুদের জন্মদিনে শুভেচ্ছা তো ব্যক্তিগত ভাবে জানাবেনই সঙ্গে বন্ধুকে স্পেশাল ফিল দেওয়ার জন্য আলাদা কিছু করুন। ধরা যাক আপনার বন্ধুর জন্মদিন ২৩ অক্টোবর। সেদিন আবার কিংবদন্তি ফুটবলার পেলের জন্মদিন। আপনি পোস্ট করতেই পারেন 'দেখো আমার বন্ধু পুরো পেলের মত বড় সেলেব একই দিনে জন্মেছে।'
১) এছাড়াও আরও কিছু- ক) অশ্লীল বা সাম্প্রদায়িক পেজে লাইক দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।
খ) আপনি হয়তো খুব ভালো ভালো স্ট্যাটাস লেখেন বা নোট/ছবি ইত্যাদি আপলোড করেন, বিভিন্ন ভালো ভালো কন্টেন্ট শেয়ার দেন। কিন্তু এগুলো যদি পাবলিক করা না থাকে তাহলে লোকে দেখবে কীভাবে? আর দেখলে তাঁরা আপনার প্রতি আগ্রহী হবেন কীভাবে? তাই এইসব ব্যাপার পাবলিক সেটিং এ রাখুন।
গ) নিজেকে হাসিখুশি মানুষ হিসাবে তুলে ধরুন- একজন বিষণ্ণ আর খিটখিটে মানুষের বন্ধু কেউ হতে চায় না। তাই ফেসবুকে নিজেকে হাসিখুশি মানুষ হিসাবে উপস্থাপন করলেই পাবেন জনপ্রিয়তা। মজার স্ট্যাটাস দিন, সকলের মজার কথা বলুন। দেখবেন আপনাকে এমনিতেই পছন্দ করছে লোকে।
ঘ)  মাঝে মাঝে সমালোচনার রাস্তায় হাঁটুন-
পৃথিবীতে সবচাইতে কার্যকর পাবলিসিটি কৌশল হচ্ছে নেগেটিভ পাবলিসিটি। শুনতে খারাপ শোনালেও এটাই সত্যি। আপনার অপছন্দের কিছু বিষয় নিয়ে তীব্র সমালোচনা করা স্ট্যাটাস দিন। দেখবেন ফ্রেন্ড ও ফলোয়ার দুটোই বাড়ছে।
ঙ) ) বিভিন্ন গ্রুপে যোগ দিন
ফেসবুকে আজকাল অনেক ভালো ভালো গ্রুপ আছে। এইসব গ্রপের সক্রিয় সদস্য হয়ে যায়, সকলের সাথে পরিচিয় বাড়ান। সেখান থেকে বেছে বেছে পছন্দের মানুষের অ্যাড করুন। দেখবেন ভারি হচ্ছে আপনার ফ্রেন্ড লিস্ট।
চ) নিজের প্রতিভার প্রচার করুন
আপনি কি কোন কাজ খুব ভালো পারেন? যেমন রান্না করা, গান, নাচ, ছবি আঁকা, লেখালিখি ইত্যাদি কোন কিছু? তাহলে নিজের সেই প্রতিভা ফেসবুকে প্রকাশ করুন বিভিন্ন ভিডিও বা ছবির মাধ্যমে। নিজের অর্জন থাকলে সেগুলোও তুলে ধরুন। দেখবেন অন্যরা আগ্রহী হয়ে উঠছে আপনার প্রতি।
ছ) ফেসবুক সেলিব্রেটিদের সঙ্গে অন্তরঙ্গতা বাড়ান
খুব অল্প সময়ে ফেসবুকে জনপ্রিয়তা চাই? তাহলে তুমুল জনপ্রিয় কয়েকজনের সাথে খুব ভালো বন্ধুত্ব করে ফেলুন। এই মানুষগুলোর কারণে আপনিও হয়ে উঠবেন জনপ্রিয় একজন!
জ) টাইমিং
সঠিক পোস্ট সঠিক সময়ে দেয়াও ফেসবুকে জনপ্রিয় হবার একটা মূল কৌশল। যেমন ছুটির দিনে বা বৃহস্পতিবারের রাতগুলোতে ফেসবুকে বেশী সক্রিয় থাকুন। মজার মজার পোস্ট ও স্ট্যাটাস দিন। দেখবেন জনপ্রিয়তা বাড়ছে।

Sunday, December 6, 2015

ফেসবুকে যে কোন ব্যক্তির লুকানো ফ্রেন্ডলিস্ট দেখার উপায় ভিডিও



কোনো বন্ধুর ফেসবুক প্রোফাইলে ঢুকে তার বন্ধুদের খোঁজ পেতে গিয়ে অনেকেই দেখেন শুধু দেখা যাচ্ছে মিউচুয়াল ফ্রেন্ডস-দের তালিকা। কেননা আপনার বন্ধুটি তার পুরো বন্ধুর তালিকা সকলের কাছ থেকে আড়াল করে রেখেছেন।

তবে আপনি চাইলে ফেসবুকে বন্ধুদের লুকানো ফ্রেন্ড লিস্ট সহজেই দেখে নিতে পারবেন। এজন্য কেবলমাত্র আপনার গুগল ক্রোম ব্রাউজারে Facebook Friends Mapper নামক একটি বিনা মূল্যের এক্সটেনশন ব্যবহার করতে হবে। এই এক্সটেনশনটি আপনাকে জানিয়ে দেবে বন্ধুদের গোপন করা বন্ধুদের তালিকা।
  • এজন্য প্রথমেই চলে যান ক্রোমের ওয়েব স্টোরে (https://chrome.google.com/webstore)ইনস্টল করুন Facebook Friends Mapper এক্সটেনশনটি। 
  • যে বন্ধুর গোপন ফেসবুক ফ্রেন্ড লিস্টটি আপনি দেখতে চান, তার প্রোফাইলটি খুলুন। 
  • এখন আপনি ফ্রেন্ডস ট্যাবে দেখতে পাবেন Reveal Friends অপশনটি। 
  • এবার ক্লিক করুন তাতে আর দেখে নিন ফ্রেন্ড লিস্ট!

আপনি যার ফ্রেন্ডলিস্ট দেখতে চাইছেন তিনি আপনার বন্ধুর তালিকায় না থাকলেও কিছু যাবে আসবে না। তার কোনো একজন বন্ধু আপনার বন্ধু হলেই হবে।

Click here, for Video